Header Ads Widget

Responsive Advertisement

বিনয়গুলো বনভান্তেকে জানতে হবে

বিনয়গুলো বই পড়ে বনভান্তেকে জানতে হবে

রবিবার, ৩১ আগষ্ট ২০২৫
রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি , জয়ন্ত চাকমা
“ বনভান্তে পরিনির্বাণ অলে এই রাজবন বিহার থেব নি” অর্থাৎ আমি পরিনির্বাণ লাভ করলে এই রাজবন বিহার কি টিকে থাকবে ? এই উক্তির মাধ্যমে বনভান্তে ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। ভিক্ষু সমাজ ও বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের প্রতি তিনি ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে, গুরুর অনুপস্থিতি ঐক্য ও শৃঙ্খলা বজায় রাখা কঠিন হতে পারে।
বনভান্তে পরিনির্বাণের বহু বছর পর তাঁর কিছু শিষ্যের মধ্যে দেখা দিয়েছে মতবিরোধ। অভিযোগ উঠেছে, তাঁদের কেউ কেউ নিজেদের গুরুকে মানতে নারাজ। অনেকে দাবি করেছেন, বনভান্তের চেয়ে তারা বেশি পড়াশুনা করেছেন, বেশি বই পড়েছেন, এমনকি কেউ কেউ বলছেন, বনভান্তে নাকি বিনয় জানতেন না।  
এই প্রসঙ্গে ভিক্ষু আনন্দমিত্র বলেন, “বনভান্তেকে বই পড়ে বিনয় জানতে হবে- এটা এক ধরনের অবক্ষয়। এক সময় কি হবে? ১৯৮১ সালের ঘ্যাংঘর তো সঠিক ছিল। আমরা যদি মারা যাই, তখন এরা কি ভিক্ষু থাকবে ? এরা তো সবাই শ্রামণ- তোমরাও জানোনা এরা শ্রামণ।
অন্যদিকে ইন্ডিপেনডেন্ট নিউজের রিপোর্টার হিমেল চাকমা মন্তব্য করেন, তাঁরা কেবল নিজের পোশাক ঠিক রাখার অজুহাতে ২০০৮ সালের ঘ্যাংঘরকে অপরিশুদ্ধ ঘোষণা করছেন। ভদন্ত নন্দপাল ভান্তের মোবাইল ফোনের রেকর্ড চাইলে ভিক্ষু করুণাবংশ তা দিতে অস্বীকৃতি জানান। বরং তিনি কারো সাথে আলোচনা ছাড়াই নিজ উদ্যোগে ঘোষণা দেন যে ১৯৮১ সালের ঘ্যাংঘর পরিশুদ্ধ। তবে অনুসন্ধান সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালের ঘ্যাংঘরও প্রকৃতপক্ষে পরিশুদ্ধ।

Post a Comment

0 Comments