সীমাঘরের ইস্যু মূলত প্যাগোডার অর্থ:
বহুল আলোচিত রাজবন বিশ্বশান্তি প্যাগোডা সম্পর্কে একসময় প্রাক্তন উপমন্ত্রী বাবু মনিস্বপন দেওয়ান মন্তব্য করেছিলেন যে প্যাগোডা নির্মাণের অর্থ সংগ্রহ ভিক্ষুসঙ্ঘের দায়িত্ব নয়। কিন্তু বাস্তবতা সম্পূর্ণ ভিন্ন। আজ যে রাজবন বিশ্বশান্তি প্যাগোডা মর্যাদার সাথে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে, তার মূল অবদান নিঃসন্দেহে ভিক্ষুসঙ্ঘেরই। সাধারণ জনগণ সর্বোচ্চ ভক্তিভরে অর্থ ও শ্রদ্ধা প্রদান করলেও, তা কখনোই কার্যকর হতো না যদি সেই অর্থ ভিক্ষুসঙ্ঘের কমিটির হাতে সঠিকভাবে না পৌঁছাতো।
এই কমিটিকে কেন্দ্র করে পরবর্তীতে কিছু সংখ্যক ভিক্ষুর মধ্যে মতপার্থক্য সৃষ্টি হয়। সীমাঘর ইস্যুকে কেন্দ্র করে তারা বিভিন্ন ট্যাগ লাগিয়ে নিজেদের আলাদা দল গঠন করে।
গত ০২ জানুয়ারি সীমাশিক্ষা বইটির মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে মনিস্বপন দেওয়ান অর্থ বিষয়ক প্রসঙ্গে সামান্য উল্লেখ করেছিলেন। মূলত অর্থ বিতরণ বা ভাগাভাগি নিয়ে অসন্তোষের কারণেই তাদের ভেতরে বিভাজন সৃষ্টি হয়েছিল বলে জানা যায়। এরপর মান্যবর রাজা বাবুকে ও মগজধোলাই করে কিছু প্রভাবশালী ভিক্ষু—যেমন করুনাবংশ ও ইন্দ্রগুপ্ত—পরিস্থিতি তাদের মতো করে ব্যাখ্যা করে সংশ্লিষ্টদের নিজেদে
র পক্ষে নিয়ে নেন।

0 Comments